গত দুই বছর যাবৎ জরায়ু ক্যান্সারে আক্রান্ত স্বামী পরিত্যক্তা উমাচিং মারমা (৪৫), গ্রাম- চম্পাতলী, ১নং ওয়ার্ড লামা পৌরসভা। মায়ের চিকিৎসায় নিজের সহায়-সম্বল বিক্রি করে এবং প্রতিবন্ধী ছেলে মানুষের দ্বারে দ্বারে ভিক্ষের টাকায় কিছুটা ভালো হলেও বর্তমানে অবস্থা গুরুতর। এরই মধ্যে গাইনি বিভাগের ডাক্তার রোগীকে দ্রুত টাকা জোগাড় করে কক্সবাজার অথবা চট্টগ্রাম নিয়ে যেতে পরামর্শ দিয়েছেন।

উমাচিং মারমা২

মায়ের প্রাণ বাঁচাতে ভিক্ষে করছে প্রতিবন্ধী ছেলে কলেজ পড়ুয়া উসুইসিং মারমা (২০)

আ.বিমা টাইমসকে রোগীর এক প্রতিবেশী উথ্যিাঙ্গায় মারমা টেলিফোনে জানান, ‘গত ২রা মে আমার মায়ের শারীরিক অসুস্থতার কারণে লামা সদর হাসপাতালে ভর্তি হয়। ঐ সময় আমার মায়ের সিটের পাশেই এক রোগী উমাচিং মারমার কাতরানো আওয়াজ শুনতে পেতাম। এবং তাঁর প্রতিবন্ধী ছেলে সন্তান উসুইসিং মারমা (২০) প্রতিনিয়ত ভিক্ষে করে মায়ের প্রতি সেবা আর তাঁর মাকে সুচিকিৎসা দেওয়ার আশ্বাস দেখে নিজের চোখের পানি ধরে রাখতে পারলাম না। প্রতিবন্ধী সন্তানের একমাত্র ইচ্ছে পুরনে ছেলেটির অসুস্থ মায়ের জন্যে করজোড়ে সকলের কাছে সাধ্যমতো মানবিক সাহায্যের  জন্য সোস্যাল মিডিয়াসহ বিভিন্নভাবে আহ্বান করছি।‘

উসুইসিং মারমা প্রতিবন্ধী হলেও পড়া লেখায় ভালো। মায়ের চিকিৎসার জন্য প্রতিনিয়ত ভিক্ষা করে। বর্তমানে সে মাতামুহুরী সরকারি কলেজে একাদশ শ্রেণীর ছাত্র। অভাবের কারণে উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় অধীনে ভর্তি হয়েছেন।

মায়ের প্রতি তাঁর অকৃত্রিম ভালোবাসা এবং সেবা দেখে, প্রতিবন্ধী ছেলেটির কথা মনে আসলেই প্রতিনিয়ত এখনো চোখের জল আসে। আমার নিজের সামর্থ্যের বাইরে তাই আপনাদের কাছে সাহায্যের আবেদন করছি। এমন সন্তান প্রতিটি ঘরে থাকলে বৃদ্ধাশ্রমের প্রয়োজন হতো না বলে জানান রোগীর প্রতিবেশী উথ্যিাঙ্গায় মারমা।

রোগীকে সাহায্য পাঠাতে-

০১৫৯১১০৬১৬৫ রোগীর (পার্সোনাল) বিকাশ

০১৫৯১১০৬১৬৫ রোগীর নগদ একাউন্ট

০১৮৫৬৭১০০৩৫ আমার পার্সোনাল বিকাশ।

(যেকোন দুর্ঘটনা এড়াতে প্লিজ আগে যোগাযোগ  করুন)

একজন মেধাবী প্রতিবন্ধীর মায়ের প্রতি সন্তানের আকুতি দেখে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সেখানকার ডাক্তার, নার্সরাও সাধ্যমতো সহযোগিতা করেছেন। প্রতিবন্ধী ছেলেটির বিশ্বাস তাঁর মা উন্নত চিকিৎসা পেলে ভালো হবে এবং মা ছাড়া তাঁর তেমন আর কেউ নেই।