‘সমালোচনাকে পাত্তা দিচ্ছেন না, তৃতীয় সিনেমায় হিরো আলম’ শিরোনামে মানব জমিন অনলাইন পত্রিকায় প্রকাশিত বিনোদন ফিচার গোচরে এসেছে। রিপোর্টারের সঙ্গে একমত যে, সোশ্যাল মিডিয়ার কল্যাণে হিরো আলম এখন আলোচিত সমালোচিত, কেন এতো তোলপাড়া তারকা।

বিনোদন পাতায় এও উল্লেখ করেন, এরই মধ্যে তার অভিনীত দুটি সিনেমা মুক্তি পেয়েছেন। পাশাপাশি  টানা গানটানও প্রকাশ করে যাচ্ছেন। এর আগে ‘মার ছক্কা’ও ‘সাহসী হিরো আলম’নামে দুটি ছবি মুক্তি পেয়েছে। এবার তিন নম্বর ছবিতে হাত দিয়েছেন। নিজে প্রযোজনাও করবেন। এটি হবে তার প্রযোজিত দ্বিতীয় ছবি। যার ফলে তিনি সমালোচনার মুখেও পড়েছেন। কিস্তু হিরো আলম নাছোরবান্দা । সমালোচনাকে পাত্তা দিচ্ছেন না তিনি!

হিরো আলম অভিনয়

ছবি: সংগৃহীত

যে কেউ অবশ্যই নিজের মতো কাজ করে যাবেন, কাজ করে যাওয়া উচিত। কারোর কথায় কান দিতে নেই। নিজের ক্যারিয়ারের তিন, চার, পাঁচ নাম্বার ছবির অডিশান শুরু করবেন। সিনেমার শুটিং শুরুর সব প্রস্তুতি শেষ করবেন। অচমকা দারুন চমক দিতে চান বলে আশা করছেন, এটি অবশ্যই প্রতিভা বিকোশের বেশ ভালো উদ্যোগ। প্রতিভা বিকাশে এবং ক্যারিয়ার তৈরির অনেক প্ল্যাটফর্মও রয়েছে এখন। জনপ্রিয়তা, জন নন্দিত তারকা, হিরো, সেলিব্রেটি শিল্প সাহিত্যের ভাষায় যে যায় বলি কেন বিষয়টি না হয় উহ্য রয়ে গেল।

আপনি নিজস্ব ক্যারিয়ার, প্রতিভা নিয়ে ভাবছেন ভালো কথা! এটি আপনার ব্যক্তি এবং গণতান্ত্রিক অধিকার। কিন্ত এটা ভুলে গেলে তো হবে না, বিনোদনের নামে কিছু ভিডিও ফুটেজ দর্শকের সামনে তুলে দিলেই দর্শক হুমড়ি খেয়ে বিনোদিত হবেন। নিজের ক্যারিয়ার আকাশ সমান হবে। পাশাপাশি বিশেষ প্রতিভা বিকশিত হবে। জেনে রাখা ভালো, কিছু কিছু এবং ভালো বিষয়ে খাঁটি দর্শকদের সমালোচনা, আলোচনাকে পাত্তা দিতে হয়, যা আপনার ক্যারিয়ার এবং সত্যিকার প্রতিভা বিকাশ হবে। সোস্যাল মিডিয়ার জোরে এ যুগে কেউবা সহজে হিরো, সেলিব্রটি ভাবতে পারে। কিন্ত অগণিত দর্শক শ্রোতাদের ভালোবাসা পেয়ে হিরো, সেলিব্রেটি হওয়ার মধ্যে বিস্তর ফারাক দেখা যায়। প্রতিভা বিকাশ নয়; কিছু মিডিয়ার কাজ হলো সোস্যাল মিডিয়ায় ধরে এনে হিরো বানানো। মানে বিষয়টি এমন- আপনি খাবেন না তো কি হয়েছে, কেউ না কেউতো ঠিকই খাবেন!

দেশের গর্বিত সেন্সর বোর্ড কিভাবে এ ধরণের ছবিটি দর্শকের হাতে তুলে দেন বিষয়টি আজও অজানা রয়ে গেল। কিন্ত এটা বুঝা গেল দেশের সিনেমা হলগুলো প্রসারিত, প্রশংসিত, দর্শকবান্ধব না হয়ে কেন ধীরে ধীরে সংকুচিত হচ্ছে। কেন দেশের সিনেমা শিল্পের আদি ঐতিহ্য, এবং প্রাচীন হলগুলো বিলুপ্তির পথে।