বাপন নেংমিঞ্জা, শেরপুর: শেরপুর জেলার ঝিনাইগাতি থানাধীন কাংশা ইউনিয়নের গজনী বিটের বেরবেরি এলাকা থেকে একটি মৃত বন্যহাতির দেহ উদ্ধার করে বনবিভাগ। ২রা জুন সন্ধায় ঐ এলাকায় কয়েকজন বনে মৃত হাতিটিকে পরে থাকতে দেখেন। এ সময় তারা স্থানীয় বনবিভাগের নিকট সংবাদটি পাঠান এবং ঘটনাস্থলে গিয়ে মৃত বন্যহাতির দেহ উদ্ধার করে বনবিভাগ।

কি কারনে বা কিভাবে হাতিটি মারা গেছে তা এখনও জানা যায়নি বলে জানিয়েছে স্থানীয় বনবিভাগের কর্মকর্তারা। তবে মৃত হাতিটির পেট ফুলে পচে গিয়েছে বলে তারা জানান। সঠিক ময়না তদন্তের পর এই হাতির মৃত্যুর কারণ জানতে পারবে বলেও জানান বনবিভাগের কর্মকর্তারা।

উল্লেখ্য যে প্রায় ২০০০ সালের পর থেকে শেরপুর জেলার বিভিন্ন থানায় বন্যহাতির বিচরন নতুন করে শুরু হয়। এতে প্রথমদিকে আতংকে থাকলেও পরে বন্যহাতি প্রতিরোধে ও ফসল রক্ষায় নানা উপায় বের করে পাহাড়ে বসবাসকারী গারোসহ অন্যান্য আদিবাসীরা। বেশিরভাগ আদিবাসীদের আবাদি জমিজমা পাহাড়ের কোলে হওয়ায় ধানী ক্ষেত পিষে দিয়ে নষ্ট করে দিতো এসব বন্য হাতি।

বন্য হাতির এই তান্দবের কারণে বর্তমানে প্রায় অর্ধের বেশী পাহাড়ী আবাদী জমি আবাদহীন অবস্থায় পরে আছে প্রায় দুই যুগ। এতে আদিবাসীদের জীবন মানে ক্ষতিকর  প্রভাব পরছে বলে স্থানীয়রা জানান। বিগত কয়েকমাসে বুরো আবাদের সময় হওয়ায় অনেক গারোসহ অন্যান্য আদিবাসীরা সাহস করে কিছু পাহাড়ী জমিতে ধান রোপন করেছিল। নালিতাবাড়ী, ঝিনাইগাতী থানার অধীনে এইসব ধানী জমিগুলোতে বুরো ধান পাকার আগেই বার বার হানা দিয়ে নষ্ট করেছে একরের পর একর ফসলী জমি। এ নিয়ে এখনও দুশ্চিন্তায় আছে সীমান্তবর্তী এলাকাবাসী।