নিউজ ডেস্ক: দিল্লির জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয়ের বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক সোনাঝরিয়া মিনজ সিধো কানো বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হিসেবে নিযুক্ত করলেন। স্বাধীন ভারতের সর্বপ্রথম আদিবাসী নারী হিসেবে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর (ভিসি) নিযুক্ত হয়ে নতুন ইতিহাস রচনা করলেন ভারতের মাটিতে সোনা ঝড়িয়া মিনজি। শুক্রবার তাঁর হাতে নিয়োগপত্র তুলে দিলেন ঝাড়খণ্ডের রাজ্যপাল দ্রৌপদী মুর্মূ। এছাড়াও আরও দু’জন উপাচার্য হলেন, মুকুল নারায়ণ দেওকে বিনোভা ভাবে বিশ্ববিদ্যালয় এবং অধ্যাপক রাম লখন সিংকে নীলাম্বর পিতাস্বর বিশ্ববিদ্যালয়ে নিযুক্ত করেন।

ঝাড়খণ্ড সরকার তাঁর নিয়োগের নোটিফিকেশন জারি করেন বুধবার। কিন্তু তখন তিনি দিল্লিতে লকডাউনের জেরে ঘরবন্দি ছিলেন। বৃহস্পতিবার সেই খবর পেয়েই করোনা যুদ্ধের ব্যস্ততায় টিকিট কাটার কাজ সেরে বিমান ধরেন রাঁচির।

কে এই সৌভাগ্যবতী আদিবাসী নারী- বর্তমানে তিনি দিল্লীর জওহরলাল বিশ্ববিদ্যালয়ে স্কুল অফ কম্পিউটার এন্ড সিস্টেমস সাইন্স পড়াচ্ছেন। এরআগে তিনি মাদুরাই কামরাজ বিশ্ববিদ্যালয় (তামিলনাড়ু) ও বরকততুল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে (মধ্যপ্রদেশ) পড়িয়েছেন। তিনি সোনা ঝড়িয়া জওহরলাল বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কম্পিউটার সাইন্স-এ পিএইচডি ও মাদ্রাস খ্রিস্টান কলেজ থেকে এমএসসি করেছেন। স্নাতক ও স্নাতকোত্তর স্তরে সোনাঝরিয়ার বিষয় ছিল অঙ্ক। রীতিমতো চ্যালেঞ্জ নিয়ে সোনাঝ‌রিয়া ১৯৮৬ সালে কম্পিউটার সায়েন্স পড়তে ভর্তি হন জওহরলাল নেহেরু বিশ্ববিদ্যালয়ে।

একজন আদিবাসী নারীকে সিধো-কানো মুর্মূ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর হিসেবে নিযুক্ত করায় ঝাড়খণ্ডসহ সারাদেশের আদিবাসী জনমনে বেশ উৎফুল্ল বইছে শুধু তাই নয়, সোনাঝরিয়ায় তাঁর সাফল্যের কথা ভারতবর্ষের ইতিহাসে স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে।