নিজস্ব প্রতিবেদক: গত ১৪ জুন বৃহস্পতিবার টাঙ্গাইলের মধুপুর উপজেলার অরনখোলা ইউনিয়ন পরিষদে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচনে মেম্বার এবং সংরক্ষিত মহিলা মেম্বার পদে মোট পাঁচ জন আদিবাসী প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে। এর মধ্যে দুইজন আদিবাসী মেম্বার পদে নির্বাচিত হয়েছেন। ৪নং ওয়ার্ডে নির্বাচিত হয়েছেন বর্তমান মেম্বার প্রবীর নকরেক বর্মন এবং ৭নং ওয়ার্ডে নির্বাচিত হয়েছেন ফিলিপ কুবি।
ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে মেম্বার পদে দুইজন আদিবাসী নির্বাচিত
৪নং ওয়ার্ডে প্রবীর নকরেক বর্মন ‘মোরগ’ মার্কা নিয়ে ৮০০ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন, তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী শ্যামল মানখিন ভোট পেয়েছেন ৪৭৮টি। ৭নং ওয়ার্ডে ‘তালা’ প্রতীক নিয়ে ৮০২ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন ফিলিপ কুবি, তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ফজলুর রহমান ফুটবল প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৫২৭টি ভোট।
অন্যদিকে ৭,৮,৯ নং ওয়ার্ডে সংরক্ষিত মহিলা মেম্বার পদে আদিবাসী প্রার্থী সুপ্তি রানী চিরান এবং ৮নং ওয়ার্ডে মেম্বার পদে সুষপ্ত চাম্বুগং নির্বাচিত হতে পারেন নি। আসন দু’টিতে নির্বাচিত হয়েছেন যথাক্রমে মাসুদা খাতুন ও হাসমত আলী।
প্রসঙ্গত উল্লেখ্য গত ১৫ জুনের নির্বাচনে নির্বাচিত ৮ জন আদিবাসী এবং গতকালকের নির্বাচিত ২ জন নিয়ে মধুপুর উপজেলায় মোট ১০ জন আদিবাসী প্রার্থী নির্বাচিত হলেন। এ উপজেলায় আদিবাসী অধ্যুষিত আরো একটি ইউনিয়নের নির্বাচন স্থগিত রয়েছে। এই ইউনিয়নে ৪টি আসনে মোট ৮ জন আদিবাসী প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। স্থগিতকৃত ফুলবাগচালা ইউনিয়নের নির্বাচন আগামী ৩১ জুলাই অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।