সত্য সবসময়ের জন্যই সত্য। সুন্দর সব সময় সাধনাকেই খোঁজে, ক্ষণস্থায়ীত্বে বিশ্বাসী নয়। মনে রাখতে হবে সোস্যাল মিডিয়ায় সেলিব্রেটি নয়; সত্যিকার সেলিব্রেটিদের–প্রত্যেক সাফল্যের পেছনে সাধনার পথ হাঁটার লোকায়িত এবং পেছনের গল্প থাকে-
সোস্যাল মিডিয়ার কল্যাণে ‘সেলিব্রেটি’শব্দটার সঙ্গে আমরা সবাই পরিচিত এবং প্রিয় একটি শব্দ। সবাই দেখতে চান সোস্যাল মিডিয়ার সেলিব্রেটিদের তালিকায় নিজেকে। আপনি আমি চাইলে-ই তো আর হবে না; কিংবা একা একাই সেলিব্রেটি হওয়া সম্ভব নয়। সবার চাইতে হবে, জনগণের রিয়েল ভালোবাসা পেতে হবে। এর জন্য আপনাকে অনেক কাঠখড় পোড়াতে হবে, সেটা জগদীশ্বরই ভালো জানেন।
তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে কেউবা ফেসবুক, ইন্সটাগ্রাম, টুইটার, লিঙ্কেদিন, ইউটিউব অথবা অন্য কোন তারকা প্লাটফর্মে সেলিব্রেটি হওয়ার স্বঘোষিত প্রতিযোগি হরহামেশাই এখন চোখে পড়ে। তবে সবাই তার বুদ্ধিবৃত্তি, প্রতিভা, ভালো কর্ম দিয়ে নয়; আজকাল দেখা যায় ব্যক্তির রুপ যৌলস দিয়েও মিডিয়ায় নগ্নভাবে নিজেকে গা ভাসিয়ে দেয় শুধুমাত্র সেলিব্রেটি হওয়ার জন্য। লাইক কমেন্টের ফলাফল যাই হোক। যেকোন ভাবে আমাকে সেলিব্রেটি এবং ভাইরাল হওয়া চাই, যে করে হোক আমাকেই ন্বামার ওয়ান সেলিব্রেটি হতে হবে এমন অবস্থা।
আজকাল কথায় কথায়, মুহূর্তে নিজেই সেলিব্রেটি, নিজের বডিল্যাঙ্গুয়েজে ভাইরাল ভাব দেখানোর প্রবণতা রয়েছে। সেলিব্রেটি হতে চাওয়াটা দোষের কিছু নয়। কিন্তু মানুষের প্রিয় হওয়া কি এতই সহজ? সোস্যাল মিডিয়ায় ভিউয়ার, সাস্ক্রাইব, কমেন্টের সাথে ইমোজি, সুপার চ্যাট অনেক পেলেই কি তাকে বিখ্যাত বলা যায়? না হয় বুঝলাম একদিনেই ভাইরাল হয়ে বিখ্যাত হলো। তার মানে কি তিনি প্রথিতযশা কোন শিল্পী, সাহিত্যিক, উদ্যোক্তা, অনুকরণীয় সেবক, ইউটিউবার হয়ে গেলেন? সোস্যাল মিডিয়াতে ভাইরাল কেন দেখছে বা সেটা কতটা গ্রহণযোগ্য, তা ভাবতে হবে। সোস্যাল মিডিয়াতে ভিউ অনেক কারণেই হয়। হাস্যরসের কারণ হিসেবেও হয়। ব্যক্তির ভালো কর্ম, পাগলামি অথবা সত্যিকার প্রতিভায় ভাইরাল হতে পারে। এতে অনেক ভিউয়ার এবং উদ্ভট পরিস্থিতির সৃষ্টি হতে পারে। কারণ উটকো একটি বিষয় দেখে একজন আরেকজনকে দেখতে বলছে, এবং মন্তব্য করছে স্বাধীনভাবে। কখনোবা স্বাধীন মন্তব্য করতে গিয়ে বিষয়টির প্রতি গঠনমূলক না হয়ে; হাস্যরসে, পরিহাসের বিষয় হতেও দেখা যায়। এভাবেই দুঃখজনকভাবে, ভালোর চেয়ে মন্দ বিষয়টা লাইক কমেন্টের যোগে কোটি ভিউতে চলে আসে। সোস্যাল মিডিয়াতে অপ্রযোজনীয় বিষয়, কমগুরুত্বপূর্ণ লেখা, ফিচার, ছবি ইত্যাদি রিউমারে পরিনত হতে থাকে। অনেকেই সে সম্পর্কে প্রশ্ন ভালো মতো বলতে পারবেন না এবং মূল বিষয়টি আসলে কি! কিন্তু বলবেন ওই যে বলাম তিনি স্বাভাবিক নয়; বরং ‘পাগলামি’অথবা বিপরীত কর্মকান্ড; স্বাভাবিককে অস্বাভাবিক আচরণে পরিনত করেছিল সেটা তিনি খুব ভালো বলতে পারবেন। অর্থাৎ প্রাসঙ্গিক নয়, এমন উত্তরটিও তাকে দিতে হবে। এটা কি ভালো কাজের ব্যাখ্যা হতে পারে? এতে কি কোনও সম্মান আদৌ এনেছে? সবাই হাসাহাসি করার বিষয় পেয়েছে। মানহীন, অযাচিত বিষয়, অসামাজিক, অপ্রাসঙ্গিক বিষয়গুলো বেশি প্রাধান্য পেয়েছে, সোস্যাল মিডিয়াতে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই তাই ঘটে। এটা কতটা লজ্জার বিষয় কেউ কি আমরা কখনো ভেবেছি?
তো কীভাবে আমরা সহজে বর্তমান সোস্যাল মিডিয়ায় সেলিব্রেটি হতে চেষ্টা করছি, ভাইরালের নামে মানুষে মানুষে মৌলিক বোধের বিষয়গুলো হারাতে বসেছে সে বিষয়গুলো-
এ যুগের সোস্যাল মিডিয়ার সেলিব্রটিরা কেমন ভাবে
_যেখানে সবাই একমত হবে, সেখানে আপনাকে অবশ্যই দ্বিমত পোষণ করতে হবে। অন্যথায় সহজে আলোচনায় আসতে পারবেন না এমন কিছু মন্তব্য।
_ইনবক্সে ভুলে কেউ মেসেজ করলে রিপ্লাই দেন না। এতে আপনি যে প্রচুর ব্যস্ত একজন লোক এটাই ধরে নিবে মানুষ।
_প্রতিদিন কত জনকে ব্লক করলাম কিংবা আজ থেকে শুরু করব আনফ্রেন্ড মিশন এইটাইপের স্ট্যাটাস দিতে হবে। এতে জনমনে আপনাকে নিয়ে আতঙ্ক সৃষ্টি হবে।
_লাইক কমেন্টস পান আর না পান আপনার নিজের নামে এক বা একাধিক ফেসবুক পেইজ খুলে বসে থাকেন। কারণ এটাই আজকাল ফেসবুক সেলিব্রেটিদের ঐতিহ্যের প্রধান ধারক এবং বাহক!
_বেশকিছু অদ্ভুত শব্দের মানে আপনাকে শিখে নিতে হবে, যেমন ওক্কা, গাইছ, বাডি, হাবি, সেক্সি এইটাইপের। কারণ সোস্যাল মিডিয়ায় সেলিব্রেটিদের হরহামেশা এই ধরনের শব্দ ব্যবহার করতে দেখা যায়।
_প্রতিদিন গড়ে কমপক্ষে ৮-১০টা সেলফি নিজে অথবা নামজাদা লোকের সঙ্গে ছবি তুলে, অথবা মনগড়া উইস করে স্ট্যাটাস আপনাকে আপলোড দিতে হবে। আর যেসব জায়গায় সেলফি তুলবেন সে জায়গাগুলো অবশ্যই একটু আনকমন ফটো দিতে বেশি উৎসাহি।
_কোথাও যাওয়ার আগে, যাওয়ার পরে এবং ফিরে আসার পরে আপনাকে অবশ্যই স্ট্যাটাসের মাধ্যমে সব জানাতে হবে। কারণ আপনি কোথায় কী করছেন তা মিনিটে মিনিটে সবাইকে জানানোর প্রয়োজন আছে সে মনে করে।
_আজকে ডোনাল্ট ট্রাম্প আপনাকে ডিনারে ডাকছে, সাকিরা আপনাকে নিয়ে আড্ডায় যাওয়ার বায়না ধরছে এইটাইপের চাপাবাজিমূলক স্ট্যাটাস দেওয়ার মনমানুষিকতা অবশ্যই আপনি ভালো পারেন। অন্যের মিথ্যে প্রশংসা ছাড়া তার পেটের ভাত একদমই হজম হয় না।
_চেক ইন দেওয়ার অভ্যাস আপনার আছে; কারণ আপনাকে প্রতিদিন নানান জায়গায় চেক ইন দিয়ে সোস্যাল মিডিয়ায় সবাইকে দেখাতে হবে। অথচ হোক না আপনি ঘরের কোনায় বসে আছেন। কিন্তু চেক ইন দিবেন দৃষ্টি নন্দন কিংবা অজানা জায়গায় ঘুরতে গেছেন, যেন কেউ সেখানে আগে কেউ কখনো এবং কোনদিন যায়নি বিষয় এমন।
_সুরে বেসুরে গান তাতে কি? তার গান নিয়ে কথা বলতে গেলে, অনেক কথাই বেরিয়ে আসে। কারণ ছোটবেলা থেকে অনেক কিছু দেখে শিখতে শিখতে সে বড় হয়েছে ভাবখানা ঠিক এমন।
_সংগঠক, নেতা, উদ্যোক্তা, সমাজ সেবক; কিংবা লেখক নন অথচ ভাবখানা এমন যে তার উদ্যোগে, লেখায় দেশ জাতি মহা দূর্যোগ থেকে তিনি একাই জাতিকে উদ্ধার করলেন।
_ইউটিউবে পঞ্চাশ কিংবা লাখ খানেক সাবস্ক্রাইবার পেলে, পৃথিবীতে তাকে আর পায় কে! মাউটেন্ট এভারেস্ট জয় কিংবা তথ্য প্রযুক্তি সেরা এ্যাপস বা সফটওয়্যার আবিস্কারও তার কাছে কম হয়ে যায়….ইত্যাদি।
সত্যিকার সেলিব্রেটিদের ভাবনা কেমন
যুগের পরিবর্তনের ধারার ব্যতিক্রম অনেকটা বাতাসের উল্টোপথে যাওয়ার মতো লাগে। জল স্রোতের বা বাতাসের উল্টোদিকে কি বেশিক্ষণ যাওয়া যায়? গেলেও তার স্থায়িত্ব কতটুকু বা কতক্ষণ? একাল-সেকালের কথা বহু আগে থেকেই, বহু যুগ ধরেই সমাজে হয়ে আসছে। কিছু পরিবর্তন নিয়ে প্রজন্ম থেকে প্রজন্ম বদলানোর চেষ্টা করেছে, করছে ও করবেও। মানুষ পরিবর্তনশীল, তবে একেবারে রক্ষণশীলতাকে উপেক্ষা কিংবা, সামাজের আগাগোড়া উলটপালট করে নয়।
সেই দৃষ্টিভঙ্গিতে কতটুকু পরিবর্তনকে মানুষ বা শ্রোতাদর্শক মেনে নিতে পেরেছে? এহেন আপনাকে আমাকে ভাবতে হবে যে, আদৌ মানুষ কি অস্থিরতার চাপে মন বাড়ায়? নাকি অস্থিরতার মধ্যেও প্রশান্তচিত্তে একটু ভালো কিছুই খোঁজে?
শ্রোতাদর্শক এখনও মৌলিক কিছু খোঁজে এবং তারা সে জায়গা থেকে বের হতে পারেনি। নতুন কিছুকে গ্রহণ করার জন্য কিছু মানুষ প্রস্তুত এবং অনেকের সে মানসিকতাও রয়েছে; তবে তাদেরকে সেকেলে, ব্যাকডেটেড ভাবা যাবে না। শুধু একবার ভাবুনতো, পরিবর্তনের রূপরেখায় কোটি, লাখ ভিউ কিংবা সোস্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল সেলিব্রেটিদের অবস্থা কী হবে?
আজকে এই তথাকথিত লাখ ভিউ বা ভাইরাল অথবা ফেসবুক কিংবা অন্যান্য সোস্যাল মিডিয়ায় সেলিব্রেটিদের তাৎক্ষণিক রমরমা হঠাৎ পাওয়া দামের, দর কষাকষির স্বল্পকালীন মূল্যায়ন নিয়ে আমার নিজস্ব কিছু কথা বলা যেতে পারে।
আমরা আমাদের জীবন যাপনে কেন সুস্থ বিনোদন নিয়ে ভাবছি না? এ কেমন প্রশ্রয়? যেহেতু যা মনে হয় তাই ফেসবুক, ইউটিউবে সহজে বলে দেওয়া যায়। কিংবা যার যা মনে হয় তাই করতে পারে। কোনও বাঁধা নেই। তাই কি এমন প্রহসন? ভাইরাল সেলিব্রেটি বনাম মৌলিক শিল্পমনাদের গ্রহণযোগ্যতা এবং মূল্যায়ন দর্শক শ্রোতার কাছে কোন পর্যায়ে? দর্শক শ্রোতা কি এসবে আদৌ খুশি?
মানসিক শিক্ষার বিবেক বোধটাই দরকার। কী আমার করা উচিত আর কী করার সাহস করা উচিত নয়, সেই বোধ দরকার। এই বিষয়টা প্রথমেই ভাবা ভীষণ জরুরি। গান, সাহিত্য চর্চা, কিংবা অন্য কিছু সাধনা, এবং জ্ঞান না থাকলে সহজে মানুষের কাছে পৌছা যায় না। সবকিছুর মূলে সাধনা, জ্ঞান এবং ভালো বোধ শক্তি থাকা দরকার।
আপনার বিষয় যদি গান হয়, তাহলে ভাবুন গান ফূর্তি নয়, ‘গান বিনোদিত করে বটে কিন্তু গান বিনোদন নয়’— এ কথা আমরা সবাই জানি। গান এক ধরনের প্রকাশ, যা নিজের ভেতর বোধগম্য না হলে তার প্রকাশ সুরে সুরে করা যায় না। সে কারণেই হয়তো বলা হয়–সঙ্গীত সুক্ষ্ণ কারুকাজের সুরে গল্প বলা। যে কাজ আপনাকে দিয়ে হয়নি, হবে না, আপনি পারেন না সে কাজটি কি করা উচিত ?
সোস্যাল মিডিয়ায় প্রয়োজনহীন এবং মিনিটে মিনিটে স্ট্যাটাস, বাহারী ড্রেস পরে সেলিব্রেটি ভেবে খামকায় ছবি আপলোড, গান না বুঝে সুরেবেসুর গান, সাহিত্যের মোড়লগিরি, এসবের মানে কি দাঁড়ায়, একটু ভাবুনতো?
মোদ্দা কথা মেধা এবং সঠিক পরিশ্রম ছাড়া শ্রোতার কাছে পৌঁছানো যায় না; তেমনি জীবনে সাফল্য আসে না। হয়তো কিছু কিছু বিষয় দুই একদিন মনে থাকে, সোস্যাল মিডিয়ায় ঝড় তুলে; তারপর জল ডুবুরি হয়ে একেবারে হারিয়ে যায়।
প্রবন্ধের বিষয়গুলো কাকতালিয়ভাবে মিলে যেতে পারে; তবে কাউকে ছোট করে বা উপহাস করে বলছি না, সোস্যাল মিডিয়ার বাস্তবতার সত্যটা তুলে ধরার চেষ্টা করেছি মাত্র।
বর্তমান সময়ে সোস্যাল মিডিয়ার বদৌলতে কিছু কাজ যে ভালো হচ্ছে তা অবশ্যই স্বীকার করি। সেখানেও কথা আছে, একদিনে ভাইরাল নামকরা শিল্পী, লেখক, সাহিত্যক, নাট্যকার, উদ্যোক্তা, নেতা, সংগঠক, সমাজ সেবক এবং ইউটিউবার হয়ে গেলেও সে নামের জন্য আরও বহু বহু দিন কাজই করে যেতে হয়। মানুষের ভালো লাগা দায়িত্ব বাড়ায়। সে দায়িত্ব না নিয়ে নিজেকে সেলিব্রেটি ভেবে দামি ভাবলে তো চলবে না। দু’দিন পরে কেউ মনে রাখবে না, সেটাও ভাবতে হবে। কারণ কেউ একদিনে বড় হতে পারে না। হাজার হাজার শিল্প সাধনায় রত তারা তাৎক্ষণিক বিষয়ে হতভম্ব হয়।
প্রত্যেক কর্মফল অপেক্ষায় থাকে সত্য বাক্যের নির্দিষ্ট সময়ের জন্য। এটাই আমি পুরোটা বিশ্বাস করি। প্রকৃত শিল্পমনা দু’দিনের জন্য নয়, চিরকালের জন্য সাধনা করে। যুগে যুগে মনে রাখার জন্য শুধু নয়, নিজের আত্মার তৃপ্তির জন্যও সাধনা করে যান তারা। এর জন্য সাধনা করাতেই প্রযুক্তি এবং সোস্যাল মিডিয়া একধাপ এগিয়ে। সেখান থেকে সুযোগ আছে কিছু শেখার এবং শ্রোতাদের ভালো কিছুকে দেবার।
আপনাকে যা করতে হবে, মনে রাখবেন নিজেকে সোস্যাল মিডিয়ায় সেলিব্রেটি মনে করা মানেই দু’দিন পরে খুদ আপনাকেই কেউ নাও চিনতে পারে। তাতে আপনিই আঘাত পেতে পারেন, হতাশায় ভোগতে পারেন। হতাশা নিরাগ্রস্থ অবস্থা থেকে উত্তরণের জন্য পেছনে কাউকে তখন আপনি পাবেন না, সে বিষয়টি আগে ভালোভাবে ভাবতে হবে, ভাবা উচিত আমাদের।
মনে রাখা উচিত; সত্য সবসময়ের জন্যই সত্য। সুন্দর সব সময় সাধনাকেই খোঁজে, ক্ষণস্থায়ীত্বে বিশ্বাসী নয়। মনে রাখতে হবে আমাদের–প্রত্যেক সাফল্যের পেছনে সাধনার পথ হাঁটার গল্প থাকে। সোস্যাল মিডিয়াতে আজকালকার সেলিব্রেটি, ভাইরাল হলো এমন কিছু, যা হাসির বা ব্যঙ্গাত্মক, তাহলে কি ভেবে নেবো আমাদের জীবন-যাপনে ভাঁড়ামো বিষয়ই টানছে বেশি? সুস্থ বিষয় কি আর ভালো লাগে না? কেন? এবং এ কেন প্রশ্নটি আপনাদের জন্যই উহ্য রেখে গেলাম।
লুই সাংমা, ফ্রান্স
ওয়েভ ডেভেলপার, ব্লগার, ফ্রিল্যান্সার এবং সাংস্কৃতিক কর্মী